বাংলাদেশ থেকে ডোমেইন কিনতে গিয়ে সবচেয়ে বড় বাধা পেমেন্ট। বিদেশি সাইটগুলোতে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড লাগে, যেটা অনেকের নেই — আর ব্যাংকে গিয়ে কার্ড সক্রিয় করানোর ঝামেলাও কম নয়। ভালো খবর হলো, এখন বিকাশ দিয়েই ডোমেইন কেনা যায়।
কেনার আগে যা ঠিক করে নেবেন
- নামটা চূড়ান্ত করুন — একবার রেজিস্টার হয়ে গেলে বানান বদলানো যায় না। নতুন নাম নিতে হলে আবার টাকা লাগবে।
- এক্সটেনশন বাছুন — ব্যবসার জন্য
.comই সবচেয়ে নিরাপদ। বাজেট কম হলে.xyzবা.onlineদেখতে পারেন, তবে রিনিউয়ালের দাম আগে দেখে নিন। - রিনিউয়ালের দাম দেখুন — অনেক সাইট প্রথম বছর ১০০ টাকায় দেয়, পরের বছর ৩০০০ চায়। আমাদের মূল্য তালিকায় দুটো দামই আগে থেকে লেখা থাকে।
ধাপে ধাপে কেনার নিয়ম
- খুঁজুন — হোমপেজের সার্চ বক্সে নামটি লিখে দেখুন খালি আছে কি না। নেওয়া হয়ে থাকলে অন্য এক্সটেনশন দেখাবে।
- কার্টে যোগ করুন — কত বছরের জন্য নেবেন ঠিক করুন। একসাথে বেশি বছর নিলে প্রতি বছরের গড় খরচ কমে, আর মেয়াদ ভুলে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে না।
- অ্যাকাউন্ট খুলুন — নাম, ইমেইল ও ফোন। ICANN-এর নিয়মে এই তথ্য সঠিক হতে হয়, নইলে ডোমেইন স্থগিত হতে পারে।
- বিকাশ বেছে নিন — দেওয়া নম্বরে সেন্ড মানি করুন, রেফারেন্সে ইনভয়েস নম্বর লিখুন।
- TRX ID জমা দিন — লেনদেনের আইডি আর যে নম্বর থেকে পাঠিয়েছেন সেটি লিখে জমা দিন।
- অপেক্ষা করুন — যাচাই হলে ডোমেইন আপনার নামে বসে যাবে, ইমেইলে জানানো হবে।
কত সময় লাগে?
সেন্ড মানির ক্ষেত্রে যাচাই করতে সাধারণত কয়েক ঘণ্টা লাগে। কার্ড বা অনলাইন গেটওয়ে ব্যবহার করলে পেমেন্টের সাথে সাথেই ডোমেইন সক্রিয় হয়ে যায়।
সাধারণ কিছু প্রশ্ন
ডোমেইন কি সত্যিই আমার নামে থাকবে?
হ্যাঁ। রেজিস্ট্রেশনে আপনার দেওয়া তথ্যই রেজিস্ট্রেন্ট হিসেবে বসে। ৬০ দিন পর চাইলে অন্য যেকোনো রেজিস্ট্রারে নিয়ে যেতে পারবেন।
মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে?
মেয়াদের ৩০, ১৪, ৭, ৩ ও ১ দিন আগে ইমেইলে মনে করিয়ে দেওয়া হয়। অটো-রিনিউ চালু রাখলে ইনভয়েস নিজে থেকেই তৈরি হয়।
হোস্টিংও কি নিতে হবে?
ওয়েবসাইট চালাতে চাইলে হ্যাঁ। শুধু নামটা ধরে রাখতে চাইলে বা ইমেইল ফরওয়ার্ড করতে চাইলে ডোমেইনই যথেষ্ট। পার্থক্য বুঝতে ডোমেইন ও হোস্টিং নিয়ে লেখাটি দেখুন।