মূল ডোমেইনের আগে একটা শব্দ বসিয়ে আলাদা ঠিকানা বানানোকে সাবডোমেইন বলে। যেমন blog.example.com বা shop.example.com। এর জন্য নতুন ডোমেইন কিনতে হয় না, খরচও নেই।

কখন কাজে লাগে
- ব্লগ আলাদা রাখতে —
blog.example.com - দোকান আলাদা করতে —
shop.example.com - পরীক্ষার সাইট —
test.example.com, মূল সাইট অক্ষত রেখে কাজ করা যায় - ক্লায়েন্টকে দেখাতে —
demo.example.com - আলাদা সেবা —
mail.,api.,cdn.
কীভাবে বানাবেন
- ডোমেইনের DNS পাতায় যান
- নতুন রেকর্ড যোগ করুন — Type
A, Host-এ শুধু সাবডোমেইনের নামটা (যেমনblog), Value-তে সার্ভারের IP - হোস্টিং প্যানেলেও সাবডোমেইনটি যোগ করুন, যাতে ফাইল রাখার ফোল্ডার তৈরি হয়
- ১৫ মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করুন
A নয় — CNAME রেকর্ড লাগবে। ওরা যে ঠিকানা দেবে সেটাই Value-তে বসাবেন।সাবডোমেইন নাকি ফোল্ডার?
ব্লগের জন্য example.com/blog (ফোল্ডার) আর blog.example.com (সাবডোমেইন) — দুটোই চলে। SEO-র দিক থেকে ফোল্ডার সামান্য এগিয়ে, কারণ মূল ডোমেইনের শক্তি ভাগ হয় না।
তবে ব্লগটা যদি আলাদা সফটওয়্যারে চলে বা আলাদা সার্ভারে থাকে, তখন সাবডোমেইনই সুবিধাজনক।
কয়টা বানানো যায়
ডোমেইনের দিক থেকে সীমা নেই — শত শত বানানো যায়। সীমা থাকে হোস্টিং প্যাকেজে, তাই সেখানেই দেখে নিন কতগুলো অনুমোদিত।