ডোমেইন রেজিস্টার করার সময় যে তথ্য দেন, ICANN-এর নিয়মে তার কিছু অংশ পাবলিক ডেটাবেজে চলে যায়। যে কেউ WHOIS দিয়ে খুঁজে দেখতে পারে ডোমেইনটা কার নামে।
কী কী প্রকাশ পেতে পারে
- রেজিস্ট্রেন্টের নাম ও প্রতিষ্ঠান
- ঠিকানা, শহর, দেশ
- ইমেইল ও ফোন নম্বর
- রেজিস্ট্রেশন ও মেয়াদের তারিখ, নেমসার্ভার
প্রকাশ্য থাকলে কী ঝুঁকি
- স্প্যাম — স্বয়ংক্রিয় বট WHOIS থেকে ইমেইল সংগ্রহ করে
- ভুয়া রিনিউয়াল বিল — প্রতারকরা আসল রেজিস্ট্রারের নামে চিঠি পাঠায়
- ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস — বাড়ির ঠিকানা ও ফোন সবাই দেখতে পায়
- প্রতিযোগীর নজর — কার কোন ডোমেইন কবে শেষ হচ্ছে সব জানা যায়
প্রাইভেসি নিলে কী হয়
আপনার তথ্যের জায়গায় প্রাইভেসি সেবার তথ্য বসে যায়। ডোমেইনের মালিকানা আপনারই থাকে, নিয়ন্ত্রণও আপনার হাতে — শুধু প্রকাশ্যে আপনার নাম-ঠিকানা দেখা যায় না। কেউ WHOIS-এ থাকা ইমেইলে বার্তা পাঠালে সেটা আপনার কাছে ফরওয়ার্ড হয়ে আসে।
.us) রেজিস্ট্রির নিয়মে প্রাইভেসি নিষিদ্ধ।কখন প্রাইভেসি না নেওয়াই ভালো
- ই-কমার্স সাইট — ক্রেতা যোগাযোগের তথ্য দেখতে চায়, এতে আস্থা বাড়ে
- প্রতিষ্ঠানের সরকারি ওয়েবসাইট
- ডোমেইন বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা থাকলে — ক্রেতা যেন যোগাযোগ করতে পারে
আমাদের এখানে
কার্টে ডোমেইন যোগ করার সময় WHOIS প্রাইভেসির টিক দিলেই হয়ে যাবে। পরে ড্যাশবোর্ড থেকেও যেকোনো সময় চালু বা বন্ধ করা যায়। দাম দেখুন মূল্য তালিকায়।